দুর্নীতির সম্পদ উন্মোচন করবে প্রযুক্তি, প্রত্যাশা প্রযুক্তি জাদুঘর মহাসচিবের
একটি জাতি বা সমাজের উন্নয়নের পথে প্রধান বাধা দুর্নীতি। তবে অল্পদিনের মধ্যেই প্রযুক্তিবিদরা এই বাধা দূর করতে সক্ষম হবেন বলে প্রত্যাশা জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাসচিবের। সেই দিন আসার আগেই প্রত্যেক ব্যক্তি নিজেকে শুধরে নেবে বলে প্রত্যাশা করেছেন সংস্থার মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী।
মঙ্গলবার জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে “দুর্নীতি দমন ও শুদ্ধাচার বিষয়ক” প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সংস্থার মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী জাতীয় ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি দমনের নানা কৌশল ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের প্রসঙ্গ উপস্থাপন করে বলেন, “দুর্নীতি মানে শুধু ঘুষ লেনদেন নয়, যেকোন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ বা সিদ্ধান্ত দুর্নীতির সমতুল্য ক্ষতিকর অপরাধ। অদূর ভবিষ্যতে প্রযুক্তির কল্যাণে দুর্নীতি লব্ধ সম্পদের তথ্য সহজেই উন্মোচিত হবে। যেকোন উন্নয়নমূলক কাজ টেকসই করতে হলে এর গুনগত মান নিশ্চিত করতে প্রত্যেককে দায়িত্বশীল হতে হবে, যা’ শুদ্ধাচারের অংশ। দাপ্তরিক প্রতিটি কাজ নিয়মিত পরিদর্শনের আওতায় আনলে অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতি হ্রাস করা সম্ভব। প্রত্যেককে মৃত্যুর পর তাঁর জীবন, কর্ম এবং বৈধ-অবৈধ সম্পদের হিসেব মহান আল্লাহ্র কাছে দিতে হবে।”
অনুষ্ঠানে ‘সরকারি অফিসে শুদ্ধাচার চর্চা’ বিষয়ের উপর বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। তিনি শুদ্ধাচারী জীবন চর্চায় মহান আল্লাহ্ তা’আলার নির্দেশিত ক্বোরআন এবং সুন্নাহ ভিত্তিক জীবন পরিচালনার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।